Chirkuth (KIFF 2022 Short Film) & behind-the-scenes with Director Sarbajit Chatterjee

When it comes to cinema, Kolkata the heart of Bengal and cultural capital of India, home to imminent artists and visionaries, can easily and rightfully gloat about being the birthplace of maestros who have breathed life into Indian cinema and altered the grammar and syntax of world cinema, thereby changing the trajectory of films produced here forever. The Department of Information and Cultural Affairs, Government of West Bengal, Kolkata holds its flagship event International Film Festival or KIFF (accredited by FIAPF, Belgium), which transcends the boundaries of language, religion, and culture by speaking a language common to all – the language that cinema is. This year, the 28th KIFF was held from 16th to 22nd December 2022. More than 40 countries participated in different sections of the vent such as feature films, internal competition, Asian select (NETPAC), documentaries, and short films.

Chirkuth (Duration 23 minutes)

Director: Sarbajit Chatterjee

Duration: 23 minutes

In the age of a fast-paced world riddled with unemployment, this movie portrays the struggle for survival of a naive food delivery boy in Kolkata. He delivers food door-to-door from Mousumi’s kitchen and is enthralled when invited in by one of the customers. The kind lady is a regular client who gives him a heartful tip for the Pujas. However, the next day when he comes to deliver a meal for 7-8 people to her home, he sees that the door is locked. The confusion quickly led to the dilemma about what to do with the food, and while the rest of the story takes on an unexpected dramatic turn, a small detail is left unnoticed by both the protagonist and the viewers. It is a Chirkuth, or a Note.

My free entry pass to see 6 short films at Sishir Mancha, among which “Chirkuth” personally stole my heart!

I will not hesitate to say outright, that the story is heart-touching and immensely reminiscent of the strange times we live in. There is a fine line between intention and a mistake, and depending upon your perspective, you can often cross the line, but you wouldn’t be either right or wrong. The directing of this movie is worthy of applause, with the acting stunningly portrayed. It certainly didn’t feel like a half-polished venture even in such limited time. Immense respect for this storyline, and the personalities including the Director, who made this short sweet film very memorable.

Chirkuth. Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)

Speaking of the Director, I had the privilege of talking to Sarbajit Chatterjee about his film. This is a first for the Vibes of A Calcuttan blog, where we get to have a sneak peek behind the scenes with the help of Director Sarbajit. The interview has been transcribed in both Bengali and English for the convenience of every reader!

Welcome to Vibes of a Calcuttan. Please tell a little bit about yourself, where you are from, where and how you learned the art of directing.

ইন্টারভিউ এই বিষয়টায় আমি এখনও ঠিক কি বলে নিজেকে পরিচয় দেব সেটা শিখে উঠতে পারিনি। তাই হয়তো একটু informal কথা বেশি বলবো। আমিও একদম বাকি 5টা বাঙালী পরিবারের মতন পরিবার এ বড়ো হয়েছি যেখানে পড়াশুনাটাই হলো জীবনের আসল মন্ত্র। আর তার সাথে বাড়িতে বড়োদের দেখতাম সিনেমা, গান বাজনা থিয়েটার এসবের সাথে যুক্ত থাকতে, তাই ছোট থেকে একটা সাংস্কৃতিক পরিবেশ এর মধ্যে বেড়ে ওঠা। আর এটাই যে আমার ভিতরেও একটা বড়ো স্বপ্ন জাগিয়ে তুলতো, এটা আমি যত বড়ো হয়েছি বুঝতে পেরেছি। 
কলেজ লাইফ থেকে শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টারি এসব আমি বন্ধুদের সাথে বানিয়ে থাকতাম। এসব কাজের জন্যে আমি সকাল ৫টায় ঘুম থেকে উঠে বেরিয়ে যেতাম আর কলেজ এর জন্যে হলে ৯টাই ঘুম থেকে উঠতাম। এটুকুতেই অনেকটা বলা হয়ে গেলো আমার ইচ্ছার কথা। সত্যি বলতে গেলে এসব YouTube ভিডিও বানালেও আমি প্রফেশনাল কাজটার সাথে যুক্ত হতে চাইতাম। কলেজে মাস-কমিউনিকেশন নিয়ে পড়ার পরে তাই ইউনিভার্সিটিতে ফিল্ম স্টাডিজ নিয়ে পড়লাম। কারন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করতে হলে তার ব্যাপারে depth তা দৃঢ় করতে হবে বলে আমি মনে করি। 
ধীরে ধীরে রাহুল মুখার্জী এর সাথে আমার যখন পড়তে পড়তে আলাপ হলো, তখন আমরা নানা সিনেমা নিয়ে আলোচনা করতাম, আর আমি ডকুমেন্টারি, শর্ট ফিল্মস বানালে তাঁকে পাঠাতাম। পরামর্শ নিতাম যে কি ভাবে আরো ভাল করতে পারি, আর সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার, সিনেমার একটা grammar আছে সেটা জানা আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই কাজ করতে করতে ডিরেক্টর অন্নপূর্ণা বসুকে অ্যাসিস্ট করলাম আমি প্রথমবার, এবং তার পর রাহুল মুখার্জীর সাথেও কাজ শুরু হলো। এই পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমি আসতে আসতে practically শিখতে পারি যে পরিচালনাটা শুধু অ্যাকশন আর কাট বলার থেকেও অনেক বড়ো।

I still haven't figured out how to introduce myself in interviews. So maybe I will talk more informally. Like any other Bengali family, I grew up in a family where education was the real mantra in life. But at home, I used to see my elders being associated with movies, music, and theater, so I grew up in a cultural environment from a very young age. As I got older I started to realize that it had also sparked a big dream inside me.
Since college, I used to make short films and documentaries with my friends. For making these, I used to wake up at 5 am in the morning, but for college I used to wake up at 9. That pretty much describes what I wanted to do . To be honest, even after making those YouTube videos, I really wanted to be involved in professional work. After studying Mass Communication at college, I pursued Film studies at University. I think if you want to work on something seriously, you need to strengthen the depth of your knowledge about it.
Gradually, I got in touch with Rahool Mukherjee, and we used to discuss regarding various movies. I would send documentaries and short films upon making them. I used to take advice on how to do better, and it was very important for me to know about the grammar of cinema. Meanwhile I had the pleasure of assisting director Annapurna Basu for the first time, and after that I also started working with Rahool Mukherjee. Throughout this whole process I practically learned that directing is much more than saying just action and cut.
Bhalobasar Moton Bhalobasle (If You Love like Love). Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)
Your film "Chirkuth" is so heart-touching and inspired. Congratulations on your entry to KIFF. Is this your first time participating in this event?

প্রথমত Heart-touching এ কথাটাই আমাদের এই ছোট কাজটি কে সফলতার দিকে এগিয়ে দেয়। তাই খুব ভালও লাগে যখন গল্পটির সাথে কেউ relate করতে পারে। শুধুমাত্র এই ইভেন্ট বলে নয়, এটি আমার ক্যারিয়ার প্রথম কোন উপলক্ষ যেখানে ডিরেক্টর হিসেবে আমার ছবি নির্বাচিত হয়েছে, তাই কে-আই-এফ-এফ ২০২২ আমার কাছে খুবই special. 

First of all, the word heart-touching is the key to success in this small venture. So it feels very good when someone can relate to the story. Leave aside this event, this is the first ever festival in my career where my film has been selected with me as Director. This is the reason that KIFF 2022 is very special to me.
"Chirkuth" is relatable to the external and internal struggles that delivery boys or girls face everyday. What made you choose this particular story?

অবশ্যই relatable, আমরা নিজেরা তো সমাজে এইরকম হতে দেখে চলেছি। আমাদের সমাজে যে আর্থিক ভারসাম্যহীনতার কাঠামো সেটাই "চিরকুঠ" তুলে ধরে, আর শুধু সেটাই না, তার সাথে মানসিকতা। আমরা খুবই জাজমেন্টল, আর আমরা এই বিচারমূলক সিদ্ধান্ত নি মানুষের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স দেখে। মানুষকে মানুষ মনে করতে গিয়ে আমরা যদি এতো জাজমেন্টল হয়ে পড়ি তাহলে সমাজ হিসেবে আমরা অগ্রগতির পথে এগোতে পারি না। এটি তো একটা সত্যি ঘটনা অবলম্বনে করা ছবি। আমাদের প্রযোজক জয় দত্তগুপ্ত যখন এই গল্পটি নিয়ে কাজ করবে বলে ঠিক করেন, তখনই আমরা ঠিক করি যে এটিই হবে আমাদের প্রতিবাদের ভাষা।

Of course it is relatable, we ourselves have seen this happen in the society. The financial structure imbalance existing in our society is what "Chirkuth" upholds, and the mentality that goes along with it. We all are very judgmental and we decide our prejudices based on people's bank balance. If we become judgmental without considering about the people themselves, we will not be able to grow as a society. This film is based on a real incident. When our producer Joy Duttagupta said he will work on this story, we decided to make it our language of protest.
Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)
Your film focuses more on the raw Emotional Quotient, as evident from the dialogues and screenplay. The acting in your film is really impeccable. What is a director's secret of bringing it out through the actors?

আমরা যখন চিরকুঠ এর প্রী-প্রোডাকশন শুরু করি, আমাদের টিম-এর সবাই একটা উপসংহার এ এসেছিলাম যে এই গল্পটায় আমরা যতটা rawness দেখাতে পারব, আমাদের চরিত্রদের সঙ্গে দর্শকরা তত বেশি সংবেদনশিল হতে পারবে। আমাদের চিত্রগ্রাহক অর্ণভ গুহর সেট লাইটিং থেকে শুরু করে মিউজিক ডিরেক্টর শুভদীপ পান আর সৌম্যদীপ বসাকের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, যতটা পারা যায় rawness টাই রাখার চেষ্টা করেছে। Secret বলতে গেলে এটা একটা পদ্ধতি যেটা আমরা অনেকেই করি। Personally আমি কিছু বস্তি এলাকায় বেশ কদিন ধরে ঘুরে বেরিয়েছিলামঃ তারা কি ভাবে কথা বলে, তাদের রোজকার রুটিনটা কি, তাদের শরীরী ভাষাগুলো পর্যবেক্ষণ করতে থাকি। অভিনেতাদের সেইগুলো নিয়ে জ্ঞাত করি আর সবাই সেটে সেগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করে। সত্যি কথা বলতে, সৌরভ, অপরাজিতা দি, পারমিতা দি এনারা খুবি বড়ো মাপের শিল্পী। এনারা নিজেরা যে প্রয়াস আর সমর্থন দিয়ে কাজটা করেছেন সেটা বিশ্বাস করা যায় না।

When we started the pre-production of "Chirkuth", our entire team came to a conclusion that the more rawness we can show in this story, the more the audience will be able to empathize with our characters. From our photographer Arnav Guha's set lighting to the Music director Subhadeep Pan and Soumyadeep Basak's background music, we have tried to keep the rawness intact as much as possible. Speaking of secret, this is a method that many of us do. Personally, I wandered around some slums for several days and observed: how they talk, what their daily routine is, their body languages. I shared all that with the actors, and everyone on set tried to hold on to that. To be honest, Saurabh, Aparajita Di, Paramita Di are artists of huge proportions. The effort and support they put into it is just unbelievable.
How long did it take to shoot the film and what was the process of determining the location? Or was the whole setting already there on your mind when you selected or wrote the screenplay?

আমরা ২দিনে শুটটা পুরো শেষ করেছিলাম... আমি নিজে খুব paperwork এ বিশ্বাস করি আর প্রী-প্ল্যান্ড কাজ করা পছন্দ করি। তাই এই ব্যাপারগুলোতে নিখুঁত ছিলাম বলে এটা সম্ভব হয়েছে। আর অবশ্যই আমাদের মেক-আপ টিমের দেবলিনা দাস, প্রোডাকশন টিমের সুফল, সুমিত, প্রীতম এরা এত সমর্থন করেছে, সেটা না হলে এটা সম্ভব হত না। সদীপ ভট্টাচার্য এই গল্পটার চিত্রনাট্য লিখেছেন। চিত্রনাট্য পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি আর অর্ণভ recce শুরু করে দি কোথায় শুট করব বলে। সেট বাজেট আমাদের নেই, তাই real location ছাড়া আর উপায়ও নেই। শেষে পুরো শুটটা আমরা real location এ করেছি, যেটা আমাদের গল্পকে আরো বেশি raw and realistic করে তুলেছে।

We completed the entire shoot in 2 days.... I personally believe in paperwork and love to do pre-planned work. So it was possible because I was perfect in these matters. And of course our make-up team Deblina Das, production team Sufal, Sumit, Pritam have been so supportive, otherwise it would not have been possible. Sadeep Bhattacharjee has written the screenplay of this story. As soon as I read the script, Arnav and I started recce for where we will shoot it. We don't have a set budget so there is no other way except for choosing a real location. At the end, we did the whole shooting at a real location which made our story even more raw and realistic.
The process of shooting for “Chirkuth”. Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)
Your previous short films and music videos are all based on simple sweet Bengali stories. How Bengal, or maybe Kolkata in particular, played a part in honing your directoral skills?

ছোট থেকে বেড়ে ওঠা তো এই শহরটায়... শহরটা আজও ছোটবেলার মত আছে... সকালে চা-এর দোকান এর আড্ডা, বিকেলে অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে কাকুদের রাজনীতি ফুটবল ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা, সব একই আছে। শুধু মানুষগুলো বদলে যায়, শহরটা একই থেকে যায়। এসবের একটা প্রভাব মনে হয় আমার কাজ এর মধ্যেও ফুটে ওঠে। আসলে সহজ সরল ভাবে গল্প বলার চেষ্টা করি যাতে মানুষ relate করতে পারে। ডিরেক্টর হিসাবে আমাদের কাজ তো একটা সময়ের ডকুমেন্টেশন। আমি যেটা দেখছি, অনুভব করছি সেই সময়টাকে তুলে ধরারই একটা চেষ্টা করি। এ ভাবেই হয়তো সব খুব সহজ সরল একটা বাঙ্গালি গল্পের মতন লাগে।

I grew up in this city... the city is still similar to my childhood times... tea shop adda (gossip chat) in the morning, The uncles talking about politics, football and cricket in the afternoon while returning from office. Only the people change, the city remains the same. An effect from all these seems to emerge in my work. In fact, I try to tell stories in a simple manner so that people can relate to them. Our work as a director is a documentation of time, I try to highlight the moment that I see and feel at the time. Maybe that is why it seems like a very simple Bengali story.
Anya Sharat (Another Fall). Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)
If an interested young person who wishes to get involved in the art of cinema, asks you about the scope of pursuing directing like you, what would you tell them?

এটা একটা পদ্ধতি বলে আমি মনে করি... ছোটবেলায় আমরা কত কিছু আঁকি, নিজেরাই বন্ধুদের মধ্যে গল্প বানিয়ে মজা করি, কেউ ছবি তুলতে ভালোবাসি... সবাই কিছু না কিছু ভাবে প্রকাশ করতে চাই নিজেদের কথা, মনের ভাব কে। তো যারা তোমরা ভবিষ্যতে কাজ করতে চাও, আমি বলব এই পদ্ধতিটায় থাকা তোমরা শুরু করে দাও। ছোট ছোট পদক্ষেপ তোমাকে আরো বড়ো জায়গায় নিয়ে যেতে সাহাজ্য করবে। আর যত পারো সিনেমা দেখো, এটার থেকে বড়ো আর কোন ইনস্টিটিউশন নেই। 

I think this is a method... We draw so much when we're little, make up stories among ourselves and have fun, some even like to take pictures... everyone wants to express themselves, their thoughts, in some way or the other. So those of you who want to work in the future in this profession, I would say that you should start following this method. Smaller steps will lead you to big places. Also watch movies as much as possible, there is no greater institution than that.
How was your experience at the KIFF? Any films you were very excited for, or saw that completely blew your mind?

কে-আই-এফ-এফ এ আমি কলেজ জীবন থেকেই যাই। সিনেমা এর সাথে এতগুলো দিন জড়িয়ে থাকার থেকে ভাল সময় আর কিছু হতে পারে না আমার কাছে। আমি এইবার আমার নিজের ফিল্ম এর স্ক্রিনিং নিয়ে খুবি উত্তেজিত ছিলাম। কিন্তু যদি অন্য কোন ছবির কথা বলা হয় সেটা হলো Joyland। কে-আই-এফ-এফ এ আসার আগে এটার ট্রেইলার দেখে আমি পুরোপুরি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম, তাই আমার খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল। যখন কে-আই-এফ-এফ এর তালিকায় দেখলাম এইবার Joyland দেখানো হবে, আমি সেইদিন আর কোন কাজ রাখিনি Joyland দেখবো বলে। আমি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছি ছবির বিষয়টি দেখে। কি সাহসি ছবি এটা, এবং সিনেমাটোগ্রাফি কি অসাধারন, সাথে বিজিএম ও। এই সিনেমাটি 4:3 aspect ratio তে করা হয়েছে, সেটা যে কতটা অর্থপূর্ণ এটাও শিখলাম।

I used to attend KIFF from college life. There is nothing better for me than to be involved with cinema for so long. I was very excited about the screening of my own film this time. But if we talk about any other film, it is Joyland. Before coming to KIFF, I was totally blown away by its trailer, and I really wanted to see it. When I saw in the list of KIFF that Joyland will be shown this time, I didn't keep any work on that day, just to watch Joyland. I am spellbound by the content. What a bold film it is! The cinematography is amazing, along with the BGM. I also learnt how meaningful this movie is, from the fact that it's made in a 4:3 aspect ratio.
Press conference for “Chirkuth” at KIFF 2022. Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)
Finally, any next project or film of yours we should be looking out for? Any final words of wisdom you would like to leave our readers with?

চেষ্টা চলছে বেশ কিছু কাজ ২০২৩ এ করার জন্যে। সব রকম কাজ করার ইচ্ছা আছেঃ চিরকুঠ এর মতন যেটা সমাজকে প্রশ্ন করবে, আর তার সাথে ভালবাসার গল্প যা স্লো-মোশন এ আমাদের ভালবাসায় ফেলবে। অ্যাসিস্ট এর কাজ তাও চলছে সাথে। রাহুল মুখর্জী -এর ডিরেকশনে ২০ জানুয়ারী, ২০২৩ এ Dilkhush (দিলখুশ) ছবি মুক্তি পাচ্ছে। শেষ কথা একটাই বলব, সততা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি, শুধু পাশে থাকবেন সবাই। 

Efforts are underway to do several things in 2023. I have the desire to try all kinds of things, like Chirkuth that will question the society, and with that a love story that will make us all fall in love in slow-motion. The work of assisting is also ongoing. The movie Dilkhush is releasing on January 20, 2023 under the direction of Rahul Mukherjee. The last thing I will say is that I am continuing my work with honesty, so it will mean a lot to have you all by my side!
Dilkhush. Picture courtesy: Sarbajit Chatterjee (@sarbajit_chatterjee)


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in: Logo

You are commenting using your account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s